টেবিল লিমিট রেঞ্জ
অনেক জায়গায় শুধু হাই-লিমিট টেবিল থাকে, আমাদের এখানে ছোট অ্যান্টি বেটের রুমও আছে, তাই নতুন করে শুরু করাও সহজ।
ডিলারের সাথে সরাসরি বসে খেলার মতো স্টাড পোকার টেবিল আমরা রেখেছি লবির সামনের সারিতে। bKash বা Nagad দিয়ে অ্যাকাউন্টে টাকা ঢুকিয়ে সোজা টেবিলে বসে যান, নিয়মকানুন স্পষ্ট আর প্রতিটা রাউন্ড চোখের সামনেই চলে।
দুই ধরনের ফরম্যাটেই টেবিল আছে, তাই হাতের কার্ড সংখ্যা অনুযায়ী পছন্দের রুম বেছে নেওয়া যায়।
প্রতিটা ডিল সরাসরি ক্যামেরায় দেখা যায়, কার্ড শাফল থেকে শুরু করে শেষ হাত পর্যন্ত পুরোটা বাস্তব সময়ে চলে।
টেবিলে বসার আগেই অ্যান্টি বেটের পরিমাণ দেখা যায়, বাজেট বুঝে টেবিল বদলানোর অপশন থাকে।
কিছু নির্দিষ্ট টেবিলে সাইড বেট চালু আছে, যেখানে মূল হাতের বাইরেও আলাদা বাজি ধরার সুযোগ থাকে।
ডিলার প্রতিটা ধাপ স্পষ্টভাবে দেখায়, ফলে কল বা ফোল্ডের সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য যথেষ্ট সময় থাকে হাতে।
টেবিল থেকে জেতা অঙ্ক সরাসরি অ্যাকাউন্ট ওয়ালেটে যোগ হয়, সেখান থেকে পরের হাতে আবার বাজি ধরা যায়।
অনেক জায়গায় শুধু হাই-লিমিট টেবিল থাকে, আমাদের এখানে ছোট অ্যান্টি বেটের রুমও আছে, তাই নতুন করে শুরু করাও সহজ।
কিছু টেবিলে ছোট স্ক্রিনে কার্ড বোঝা কঠিন, আমাদের পোর্ট্রেট লেআউটে কার্ড আর বেট বাটন আলাদা করে দেখা যায়।
সব টেবিলে সাইড বেট থাকে না, আমাদের কিছু রুমে অতিরিক্ত সাইড বেট রাখা হয়েছে যারা হাত বাড়াতে চান তাদের জন্য।
টেবিলে বসার আগেই অ্যান্টি বেট, কল-ফোল্ড আর সাইড বেটের নিয়ম আলাদা প্যানেলে দেখা যায়, আন্দাজে খেলতে হয় না।
রাউন্ড শেষে জেতা অঙ্ক অ্যাকাউন্ট ওয়ালেটে যোগ হয়, সেখান থেকে bKash, Nagad, Rocket দিয়ে তোলার প্রক্রিয়া শুরু করা যায়।
একসাথে একাধিক স্টাড পোকার রুম খোলা থাকে, তাই টেবিল ভর্তি থাকলেও অপেক্ষা না করে অন্য রুমে বসা যায়।
টেবিলে বসে থাকা অবস্থায় চ্যাট থেকেই সহায়তা পাওয়া যায়, আলাদা করে অ্যাপ বন্ধ করে বের হতে হয় না।
স্টাড পোকার টেবিলগুলো পরিচিত লাইভ স্টুডিও থেকে স্ট্রিম হয়, ফলে কার্ড শাফল ও ডিল হওয়া রিয়েল টাইমে দেখা যায়।
প্রতিটা ডিল স্বয়ংক্রিয়ভাবে রেকর্ড হয়, আর কোনো রাউন্ডে গোলমাল মনে হলে অ্যাকাউন্ট সহায়তা দিয়ে হিস্টোরি চেক করানো যায়।
যে টেবিল বা প্রোভাইডার নিজে RTP তথ্য দেখায়, সেটা আমরা টেবিলের তথ্য প্যানেলে হুবহু তুলে ধরি, নিজে থেকে সংখ্যা বসাই না।
প্রতিটা স্টাড পোকার টেবিলের অ্যান্টি বেট ও সাইড বেট লিমিট টেবিলে বসার আগেই দেখা যায়, তাই বাজেট বুঝে টেবিল বাছা যায়।
খেলা শেষ হওয়ার পর প্রতিটা হাতের ফলাফল অ্যাকাউন্টের হিস্টোরিতে থেকে যায়, দরকার হলে পরে ফিরে দেখা যায়।
টেবিলে ডিলারের প্রতিটা পদক্ষেপ ধারাবাহিকভাবে চলে, কোনো ধাপ এলোমেলো হলে সেটা সহায়তা টিমকে জানানোর অপশন থাকে সরাসরি টেবিল থেকেই।
মূলত থ্রি-কার্ড ও ফাইভ-কার্ড ফরম্যাটের টেবিল কাসিনো স্টাড পোকার এখানে চলে, যেখানে অ্যান্টি বেট বসিয়ে খেলা শুরু হয় আর ডিলারের হাত খোলার পর কল বা ফোল্ডের সিদ্ধান্ত নিতে হয়। Evolution-এর মতো লাইভ স্টুডিও থেকে স্ট্রিম আসে, ফলে কার্ড শাফল আর ডিল হওয়া পুরোটাই বাস্তব সময়ে দেখা যায়। প্রতিটা টেবিলে বেট লিমিট আলাদা, তাই যিনি অল্প টাকায় হাত মেশাতে চান বা যিনি বড়
সাইড বেট খেলতে চান, দুজনের জন্যই আলাদা রুম আছে। RTP সংক্রান্ত তথ্য শুধু সেখানেই দেখানো হয় যেখানে গেম বা প্রোভাইডার নিজে সেটা প্রকাশ করে, আমরা কোনো সংখ্যা নিজে বসাই না। টেবিলে বসার আগে নিয়মের প্যানেলে চোখ বুলিয়ে নিলে হাত খেলা সহজ হয়ে যায়।
টেবিলে বসে থাকা অবস্থায় নিয়ম বা বেট নিয়ে প্রশ্ন এলে চ্যাট বাটনে গিয়ে সরাসরি লিখুন, স্টাড পোকার নিয়ে যেকোনো ধোঁয়াশা এখান থেকেই পরিষ্কার হয়ে যায়।
টেবিল থেকে বের হওয়ার আগে ব্যালেন্স বা রাউন্ড হিস্টোরি নিয়ে সমস্যা হলে অ্যাকাউন্ট সহায়তা টিম হাতে থাকা তথ্য দেখে সমাধান দেয়।
কোন টেবিলে অ্যান্টি বেট কত বা সাইড বেট কীভাবে কাজ করে তা বুঝতে না পারলে সহায়তা টিম নিয়মের প্যানেল ধরে ধরে বুঝিয়ে দেয়।
প্রতিটা রাউন্ড শুরুর আগে বাধ্যতামূলক যে ছোট বাজি বসাতে হয়, তাকে অ্যান্টি বেট বলে। এটা ছাড়া টেবিল কাসিনো স্টাড পোকারে হাত শুরুই হয় না।
ডিলারের কার্ড দেখার পর হাত চালিয়ে যেতে চাইলে কল বাটন চাপতে হয়, নাহলে ফোল্ড করে বাজি ছেড়ে দেওয়া যায়। সিদ্ধান্তটা প্রতিটা রাউন্ডে নিতে হয়।
মূল হাতের বাইরে আলাদা একটা বাজি, যা নির্দিষ্ট কার্ড কম্বিনেশনের উপর ধরা যায়। কিছু স্টাড পোকার টেবিলে এই অপশন আলাদা করে দেখা যায়।
সমান শক্তির দুটো হাতের মধ্যে ফলাফল ঠিক করতে যে বাড়তি কার্ড ব্যবহার হয়, সেটাকে কিকার বলে। স্টাড পোকারে এটা হাত মেলানোর সময় গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে।
RTP মানে গেমটা লম্বা সময়ে গড়ে কতটা ফেরত দেয় সেই তথ্য। এই সংখ্যা শুধু সেই টেবিলেই দেখা যায় যেখানে প্রোভাইডার নিজে প্রকাশ করে।
সব খেলোয়াড়ের হাত খোলার পর যে মুহূর্তে ফলাফল ঠিক হয়, সেটাকে শোডাউন বলে। স্টাড পোকারে শেষ ধাপে এটাই নির্ধারক হয়।
ফোল্ড করলে সেই রাউন্ডের বাজি ফেরত পাওয়া যায় না, তবে বাকি হাত থেকে বের হয়ে যাওয়া যায়। পরের রাউন্ডে নতুন করে অ্যান্টি বেট বসিয়ে খেলা যায়।
ডিলারের নিজের কার্ড সেট, যা খেলোয়াড়ের হাতের সাথে তুলনা করে ফলাফল ঠিক হয়। স্টাড পোকারে ডিলারের হাত খোলার পরই কল-ফোল্ডের সিদ্ধান্ত হয়।
প্রতিটা টেবিলে সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ বাজির সীমা থাকে, একে টেবিল লিমিট বলে। এই সীমা টেবিলে বসার আগেই তথ্য প্যানেলে দেখা যায়।